কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ এ ১০:১৪ AM
কন্টেন্ট: পাতা
গ্রাম আদালতের সুবিধাসমূহ
গ্রাম আদালতের প্রধান সুবিধাগুলো হলো বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি ও খরচ হ্রাস, দ্রুত বিচার প্রাপ্তি, এবং শহুরে আদালতগুলোর উপর চাপ কমানো। এই আদালতগুলো গ্রামের মানুষের জন্য তাদের নিজ বাড়িতে বসে সহজে বিচার পাওয়ার সুযোগ করে দেয়। এটি বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অনেক উপকারী। গ্রাম আদালতে সর্বোচ্চ ৩,০০০০০(তিন লক্ষ) টাকা মূল্যমানের সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করা যায়, যা সম্প্রতি আইনের সংশোধনের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে। এর আগে এই ক্ষমতা ৭৫,০০০ (পঁচাত্তর হাজার) টাকা পর্যন্ত ছিল।
সংশোধিত ক্ষমতা:
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ সংশোধন করে, গ্রাম আদালতের জরিমানার ক্ষমতা বাড়িয়ে ৩,০০০০০(তিন লক্ষ) টাকা করা হয়েছে।
পূর্বের ক্ষমতা:
সংশোধনের আগে, গ্রাম আদালতের মামলার আর্থিক ক্ষমতা সর্বোচ্চ ৭৫,০০০ (পঁচাত্তর হাজার) টাকা ছিল।
মামলার ধরণ:
এই ক্ষমতা ফৌজদারি ও দেওয়ানি উভয় প্রকার মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
গ্রাম আদালতের সুবিধাগুলো:
সহজলভ্যতা:
গ্রামের মানুষ শহর বা জেলা আদালতে না গিয়ে নিজ গ্রামেই বিচার পেতে পারেন, যা যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ কমায়।
দ্রুত বিচার:
বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়, ফলে দীর্ঘসূত্রিতা কমে আসে।
কম খরচ:
মামলা দায়েরের ফি অনেক কম (ফৌজদারি ও দেওয়ানি উভয় ক্ষেত্রে) এবং আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সাশ্রয়ী।
হয়রানি হ্রাস:
শহুরে আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা ও হয়রানির হাত থেকে গ্রামের মানুষ মুক্তি পায়।
ক্ষুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তি:
ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তিতে এটি একটি কার্যকর মাধ্যম।
উপকারভোগী গোষ্ঠী:
দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি করে।
আইনজীবী ছাড়া বিচার:
এই আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না, যা খরচ আরও কমিয়ে দেয়।